• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

ইংলিশ শিবিরে গেইল আতংক!

গেইলখেলাধুলা ডেস্ক: তিনি একবার সেট হয়ে গেলে বোলারদের অসহায় আত্মসমর্পণ ছাড়া করার কিছু থাকে না। ছয় মারতে থাকলে ভালো বল, খারাপ বল তিনি কোন কিছু দেখেন না! অবলীলায় বলকে পাঠাতে পারেন গ্যালারিতে। তার কাছে মনে হয়, ক্রিকেট বলের আসল ঠিকানা ওই গ্যালারি। এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝে ফেলেছেন কার কথা বলা হচ্ছিল। হ্যাঁ, ক্রিস গেইল। যিনি টি২০ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন।

ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফাইনালের আগে গেইলকে নিয়ে বড় দুশ্চিন্তা ইংলিশ শিবিরে। নিজের দিনে তিনি কোন বোলারকেই বোলার মনে করেন না! সেটা তো গ্রুপ পর্বের ম্যাচেই ইংলিশরা ভালো করেই বুঝেছেন। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে ওই ম্যাচে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে তুলেছিল ১৮২ রান। টি২০ ক্রিকেটে এই রান যে কোন প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জিং।

কিন্তু গেইল এমন ব্যাট করা শুরু করলেন যে ১৮২ রান করেও ইংল্যান্ড ন্যূনতম প্রতিরোধ গড়তে পারলো না। ৪৭ বলে সেঞ্চুরি। সঙ্গে বড় বড় ১১টি ছক্কা। চার মাত্র পাঁচটি। গেইল তো এমনই। চারের চেয়ে ছক্কা মারতেই তার যতো আনন্দ।

ইংল্যান্ড ম্যাচের পর শ্রীলংকার বিরুদ্ধে চোটের কারণে ইনিংস শুরু করতে পারেননি। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা খেলা শেষ করার কারণে মাঠেই নামতে হয়নি গেইলকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৪ এবং সেমিফাইনালে ভারতের সঙ্গে করেছেন ৫ রান। তারপরও সেমিতে জিততে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সমস্যা হয়নি লেন্ডল সিমন্সের কল্যাণে।

ইংলিশদের ভয়টাও এখানেই। গেইল রান পেয়েছে কেবল গ্রুপ পর্বে এইউন মরগ্যানের দলের বিপক্ষেই। মাঝে দু’টি ম্যাচে সুবিধা করতে পারেননি। তাহলে কী আরেকবার জ্বলে উঠার জন্য ফাইনালকে বেছে নেবেন গেইল? সেটা হলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

তবে গেইল কিন্তু এই টুর্নামেন্টে একটা কথা বারবারই বলেছেন, এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ গেইল নির্ভর দল নয়। তিনি যে এমনি এমনি এ কথা বলেননি তার প্রমাণ দিয়েছেন আন্দ্রে ফ্লেচার-সিমন্সরা।

লেট মিডল অর্ডারে অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল কী করতে পারেন ভারতীয়রা সেটা ভালোভাবেই টের পেয়েছেন। এখনো অবধি মারলন স্যামুয়েলস, ডোয়াইন ব্রাভো এবং ড্যারেন স্যামি এই বিশ্বকাপে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেননি। কে জানে এদের মধ্যে একজন ফাইনালে জ্বলে উঠবেন না?

ইংলিশ অধিনায়ক মরগ্যানও বলে দিচ্ছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিততে হলে শুধু গেইলকে আটকালেই হবে না গোটা দলের দিকেই চোখ রাখতে হবে। তার ভাষায়,‘ গ্রুপ পর্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ম্যাচের আগেও আমি বলেছিলাম যে ক্রিস গেইল মানেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল নয়।’

সত্যি তো তাই, ক্যারিবিয় দলে এতো বেশি পাওয়ার হিটার রয়েছে যে, কাকে আটকাবেন ইংলিশ বোলাররা। তাছাড়া হাতে গোনা ক’জন ইংলিশ খেলোয়াড় খেলেন আইপিএলে। যেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রায় সবাই আইপিএলের কোন না কোন দলে খেলেন। তাই ভারতীয় কন্ডিশন তাদের হাতের তালুর মতো চেনা হয়ে গেছে! ফাইনাল জিততে এটাও এগিয়ে রাখছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

বাংলামেইল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ